“উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে মানবিক পুলিশ অপরিহার্য” -ব্যারিস্টার মোঃ হারুন অর রশিদ, বিপিএম। ডিআইজি, ময়মনসিংহ রেঞ্জ বর্তমান পরিস্থিতিতে আইন-শৃংখলা ও পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্বের বিষয়ে ময়মনসিংহ রেঞ্জের সম্মানিত ডিআইজি ব্যারিস্টার মোঃ হারুন অর রশিদ, বিপিএম এর সভাপতিত্বে ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ লাইন্সে নবনির্মিত ড্রিলসেডে উর্ধ্বতন পুলিশ অফিসারদের সাথে আজ (২১/০৬/২০২০খ্রি. তারিখ) এক বিশেষ সভা হয়। এই সভাটি সাম্প্রতিক সময়ে ইন্সপেক্টর জেনারেল, বাংলাদেশ পুলিশ ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম(বার) মহোদয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রদত্ত ৫ দফা নির্দেশাবলী সর্ম্পকে রেঞ্জাধীন পুলিশ কর্মকর্তাদের অবহিতকরণ পূর্বক উদ্দীপনামূলক সভা।উক্ত সভার সঞ্চালনায় ছিলেন ময়মনসিংহ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোহাঃ আহমার উজ্জামান পিপিএম। সভায় জেলার সকল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সহকারী পুলিশ সুপার/ অতিরিক্তি পুলিশ সুপার (সার্কেল) এবং জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারগণ উপস্থিত ছিলেন। শুরুতেই প্রধান অতিথি চলমান কোভিড-১৯ সংকটময় মূহূর্তে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের মানবিক কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি জানান দেশের এই সংকটময় মূহুর্তে বাংলাদেশ পুলিশের প্রাত্যহিক ও মানবিক কার্যক্রম প্রান্তিক জনগোষ্ঠীসহ সারা বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে। পুলিশের এই মানবিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে টেকসই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে “ভিশন-২০৪১” উন্নত বাংলাদেশ বির্নিমাণে এগিয়ে যেতে হবে।উন্নয়নের অন্যতম অন্তরায় হলো মাদক। আমাদের যুব সমাজকে এই মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে দেশের কাঙ্খিত উন্নয়ন সহজ হবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ঘোষিত “ভিশন-২০২১” এবং “ভিশন-২০৪১” বাস্তবায়নে যুব সমাজকে সুশিক্ষা ও কারিগরি দক্ষতা প্রদানের মাধ্যমে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। মাদক নির্মূলের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করে, তিনি সকল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মাদক নির্মূলে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন। মাদকের সাথে জড়িত শিক্ষার্থী ও যুবকদেরকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে হবে। মাদক নির্মূলে পুলিশের বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা উল্লেখ করে তিনি বলেন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণের আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে অনেকাংশে মাদক নির্মূল করা সম্ভব।তিনি আরও বলেন, দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করতে হলে প্রথমে পুলিশকে দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে। এ বিষয়ে তিনি সকল স্তরের পুলিশ সদস্যদেরকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইজিপি মহোদয়ের জিরো টলারেন্সের কথা উল্লেখ করে বলেন, পুলিশ সদস্যরা কোন ভাবেই কোন ধরনের দুর্নীতিতে সম্পৃক্ত থাকতে পারবে না। পুলিশের কোন সদস্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুলিশকে জনসাধারনের সাথে মানবিক আচরন করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পুলিশকে জনগণের পুলিশ হতে বলেছেন। বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করে এ দেশের জনসাধারনকে সেবা দিতে হবে। এ বিষয়ে ইন্সপেক্টর জেনারেল, বাংলাদেশ পুলিশ মহোদয়ের নির্দেশনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষকে কোন রকম নির্যাতন ও নিপীড়ন করা যাবে না। মানুষকে নির্মোহভাবে ভালবাসতে হবে, সকল অবস্থায় মানুষের পাশে থেকে মানুষকে সেবা দিতে হবে। এমন কি অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির সাথে বিধিবহির্ভূত আচরণ করা যাবে না। পুলিশকে পেশাদারিত্বের সাথে অপরাধ দমন ও প্রতিরোধ করতে হবে। পুলিশী সেবা জনগনের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার, পুলিশ হবে জনতার”স্লোগানটি সামনে রেখে ইন্সপেক্টর জেনারেল, বাংলাদেশ পুলিশ মহোদয়ের নির্দেশনায় বিট পুলিশিং কার্যক্রমের মাধ্যমে পুলিশী সেবাকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দিতে হবে। এ লক্ষে প্রতিটি ইউনিয়নকে একটি বিটের আওতায় এনে আইন-শৃংখলা রক্ষা, অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রণ করা সহ মানুষের পাশে থেকে সেবা প্রদান করতে হবে। এ বিষয়ে তিনি পুলিশ সদস্যদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, পুলিশের দ্রুত উপস্থিতি পারে মানুষের জান-মাল রক্ষা করতে।তদুপরি, চলমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে পুলিশ সদস্যদের শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন। পুলিশ সদস্যদের পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য সামগ্রী সরবরাহ করা হচ্ছে বলে তিনি জানান। তাছাড়া প্রত্যেক সদস্যের কল্যাণের প্রতি দৃষ্টি রাখতে সকল ইউনিট প্রধানদের নির্দেশনা প্রদান করেন।

বর্তমান পরিস্থিতিতে আইন-শৃংখলা ও পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্বের বিষয়ে ময়মনসিংহ রেঞ্জের সম্মানিত ডিআইজি ব্যারিস্টার মোঃ হারুন অর রশিদ, বিপিএম এর সভাপতিত্বে ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ লাইন্সে নবনির্মিত ড্রিলসেডে উর্ধ্বতন পুলিশ অফিসারদের সাথে আজ (২১/০৬/২০২০খ্রি. তারিখ) এক বিশেষ সভা হয়। এই সভাটি সাম্প্রতিক সময়ে ইন্সপেক্টর জেনারেল, বাংলাদেশ পুলিশ ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম(বার) মহোদয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রদত্ত ৫ দফা নির্দেশাবলী সর্ম্পকে রেঞ্জাধীন পুলিশ কর্মকর্তাদের অবহিতকরণ পূর্বক উদ্দীপনামূলক সভা।উক্ত সভার সঞ্চালনায় ছিলেন ময়মনসিংহ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোহাঃ আহমার উজ্জামান পিপিএম। সভায় জেলার সকল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সহকারী পুলিশ সুপার/ অতিরিক্তি পুলিশ সুপার (সার্কেল) এবং জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারগণ উপস্থিত ছিলেন। শুরুতেই প্রধান অতিথি চলমান কোভিড-১৯ সংকটময় মূহূর্তে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের মানবিক কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি জানান দেশের এই সংকটময় মূহুর্তে বাংলাদেশ পুলিশের প্রাত্যহিক ও মানবিক কার্যক্রম প্রান্তিক জনগোষ্ঠীসহ সারা বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে। পুলিশের এই মানবিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে টেকসই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে “ভিশন-২০৪১” উন্নত বাংলাদেশ বির্নিমাণে এগিয়ে যেতে হবে।উন্নয়নের অন্যতম অন্তরায় হলো মাদক। আমাদের যুব সমাজকে এই মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে দেশের কাঙ্খিত উন্নয়ন সহজ হবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ঘোষিত “ভিশন-২০২১” এবং “ভিশন-২০৪১” বাস্তবায়নে যুব সমাজকে সুশিক্ষা ও কারিগরি দক্ষতা প্রদানের মাধ্যমে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। মাদক নির্মূলের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করে, তিনি সকল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মাদক নির্মূলে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন। মাদকের সাথে জড়িত শিক্ষার্থী ও যুবকদেরকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে হবে। মাদক নির্মূলে পুলিশের বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা উল্লেখ করে তিনি বলেন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণের আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে অনেকাংশে মাদক নির্মূল করা সম্ভব।তিনি আরও বলেন, দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করতে হলে প্রথমে পুলিশকে দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে। এ বিষয়ে তিনি সকল স্তরের পুলিশ সদস্যদেরকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইজিপি মহোদয়ের জিরো টলারেন্সের কথা উল্লেখ করে বলেন, পুলিশ সদস্যরা কোন ভাবেই কোন ধরনের দুর্নীতিতে সম্পৃক্ত থাকতে পারবে না। পুলিশের কোন সদস্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুলিশকে জনসাধারনের সাথে মানবিক আচরন করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পুলিশকে জনগণের পুলিশ হতে বলেছেন। বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করে এ দেশের জনসাধারনকে সেবা দিতে হবে। এ বিষয়ে ইন্সপেক্টর জেনারেল, বাংলাদেশ পুলিশ মহোদয়ের নির্দেশনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষকে কোন রকম নির্যাতন ও নিপীড়ন করা যাবে না। মানুষকে নির্মোহভাবে ভালবাসতে হবে, সকল অবস্থায় মানুষের পাশে থেকে মানুষকে সেবা দিতে হবে। এমন কি অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির সাথে বিধিবহির্ভূত আচরণ করা যাবে না। পুলিশকে পেশাদারিত্বের সাথে অপরাধ দমন ও প্রতিরোধ করতে হবে। পুলিশী সেবা জনগনের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার, পুলিশ হবে জনতার”স্লোগানটি সামনে রেখে ইন্সপেক্টর জেনারেল, বাংলাদেশ পুলিশ মহোদয়ের নির্দেশনায় বিট পুলিশিং কার্যক্রমের মাধ্যমে পুলিশী সেবাকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দিতে হবে। এ লক্ষে প্রতিটি ইউনিয়নকে একটি বিটের আওতায় এনে আইন-শৃংখলা রক্ষা, অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রণ করা সহ মানুষের পাশে থেকে সেবা প্রদান করতে হবে। এ বিষয়ে তিনি পুলিশ সদস্যদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, পুলিশের দ্রুত উপস্থিতি পারে মানুষের জান-মাল রক্ষা করতে।তদুপরি, চলমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে পুলিশ সদস্যদের শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন। পুলিশ সদস্যদের পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য সামগ্রী সরবরাহ করা হচ্ছে বলে তিনি জানান। তাছাড়া প্রত্যেক সদস্যের কল্যাণের প্রতি দৃষ্টি রাখতে সকল ইউনিট প্রধানদের নির্দেশনা প্রদান করেন।

বর্তমান পরিস্থিতিতে আইন-শৃংখলা ও পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্বের বিষয়ে ময়মনসিংহ রেঞ্জের সম্মানিত ডিআইজি ব্যারিস্টার মোঃ হারুন অর রশিদ, বিপিএম এর সভাপতিত্বে ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ লাইন্সে নবনির্মিত ড্রিলসেডে উর্ধ্বতন পুলিশ অফিসারদের সাথে আজ (২১/০৬/২০২০খ্রি. তারিখ) এক বিশেষ সভা হয়। এই সভাটি সাম্প্রতিক সময়ে ইন্সপেক্টর জেনারেল, বাংলাদেশ পুলিশ ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম(বার) মহোদয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রদত্ত ৫ দফা নির্দেশাবলী সর্ম্পকে রেঞ্জাধীন পুলিশ কর্মকর্তাদের অবহিতকরণ পূর্বক উদ্দীপনামূলক সভা।উক্ত সভার সঞ্চালনায় ছিলেন ময়মনসিংহ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোহাঃ আহমার উজ্জামান পিপিএম। সভায় জেলার সকল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সহকারী পুলিশ সুপার/ অতিরিক্তি পুলিশ সুপার (সার্কেল) এবং জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারগণ উপস্থিত ছিলেন। শুরুতেই প্রধান অতিথি চলমান কোভিড-১৯ সংকটময় মূহূর্তে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের মানবিক কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি জানান দেশের এই সংকটময় মূহুর্তে বাংলাদেশ পুলিশের প্রাত্যহিক ও মানবিক কার্যক্রম প্রান্তিক জনগোষ্ঠীসহ সারা বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে। পুলিশের এই মানবিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে টেকসই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে “ভিশন-২০৪১” উন্নত বাংলাদেশ বির্নিমাণে এগিয়ে যেতে হবে।উন্নয়নের অন্যতম অন্তরায় হলো মাদক। আমাদের যুব সমাজকে এই মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে দেশের কাঙ্খিত উন্নয়ন সহজ হবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ঘোষিত “ভিশন-২০২১” এবং “ভিশন-২০৪১” বাস্তবায়নে যুব সমাজকে সুশিক্ষা ও কারিগরি দক্ষতা প্রদানের মাধ্যমে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। মাদক নির্মূলের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করে, তিনি সকল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মাদক নির্মূলে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন। মাদকের সাথে জড়িত শিক্ষার্থী ও যুবকদেরকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে হবে। মাদক নির্মূলে পুলিশের বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা উল্লেখ করে তিনি বলেন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণের আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে অনেকাংশে মাদক নির্মূল করা সম্ভব।তিনি আরও বলেন, দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করতে হলে প্রথমে পুলিশকে দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে। এ বিষয়ে তিনি সকল স্তরের পুলিশ সদস্যদেরকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইজিপি মহোদয়ের জিরো টলারেন্সের কথা উল্লেখ করে বলেন, পুলিশ সদস্যরা কোন ভাবেই কোন ধরনের দুর্নীতিতে সম্পৃক্ত থাকতে পারবে না। পুলিশের কোন সদস্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুলিশকে জনসাধারনের সাথে মানবিক আচরন করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পুলিশকে জনগণের পুলিশ হতে বলেছেন। বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করে এ দেশের জনসাধারনকে সেবা দিতে হবে। এ বিষয়ে ইন্সপেক্টর জেনারেল, বাংলাদেশ পুলিশ মহোদয়ের নির্দেশনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষকে কোন রকম নির্যাতন ও নিপীড়ন করা যাবে না। মানুষকে নির্মোহভাবে ভালবাসতে হবে, সকল অবস্থায় মানুষের পাশে থেকে মানুষকে সেবা দিতে হবে। এমন কি অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির সাথে বিধিবহির্ভূত আচরণ করা যাবে না। পুলিশকে পেশাদারিত্বের সাথে অপরাধ দমন ও প্রতিরোধ করতে হবে। পুলিশী সেবা জনগনের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার, পুলিশ হবে জনতার”স্লোগানটি সামনে রেখে ইন্সপেক্টর জেনারেল, বাংলাদেশ পুলিশ মহোদয়ের নির্দেশনায় বিট পুলিশিং কার্যক্রমের মাধ্যমে পুলিশী সেবাকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দিতে হবে। এ লক্ষে প্রতিটি ইউনিয়নকে একটি বিটের আওতায় এনে আইন-শৃংখলা রক্ষা, অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রণ করা সহ মানুষের পাশে থেকে সেবা প্রদান করতে হবে। এ বিষয়ে তিনি পুলিশ সদস্যদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, পুলিশের দ্রুত উপস্থিতি পারে মানুষের জান-মাল রক্ষা করতে।তদুপরি, চলমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে পুলিশ সদস্যদের শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন। পুলিশ সদস্যদের পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য সামগ্রী সরবরাহ করা হচ্ছে বলে তিনি জানান। তাছাড়া প্রত্যেক সদস্যের কল্যাণের প্রতি দৃষ্টি রাখতে সকল ইউনিট প্রধানদের নির্দেশনা প্রদান করেন।